ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাথে ইলন মাস্কের গোপন বৈঠক | চ্যানেল আই অনলাইন

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাথে ইলন মাস্কের গোপন বৈঠক | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে একটি গোপন স্থানে জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক করেছেন নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ট মিত্র এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ‘দক্ষতা বিষযক বিশেষ দূত’ ইলন মাস্ক।

গতকাল (১৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদনে সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানী একটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইলন মাস্ক এবং রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককটিকে ইতিবাচক হিসেবেই বর্ণনা করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার একটি গোপন স্থানে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দু’জনের বৈঠক হয়। যদিও ট্রাম্প ট্রানজিশন টিম বা জাতিসংঘে ইরানের মিশন তাৎক্ষণিকভাবে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। ইরানি মিশনও এই ব্যাপারে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি। মাস্কও প্রকাশ্যে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

তবে ইরানের যে কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করে নিউ ইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন, তারা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের আলোচনা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছিল। মাস্ক যেহেতু সরকারি প্রতিনিধি নন, তাই এই আলোচনায় কোন সমস্যা হয়নি। কার্যত তৃতীয় চ্যানেলে এই বৈঠক সম্ভব হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

GOVT

এই বৈঠক প্রমাণ করে ইরান সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক পরিকল্পনা আছে ট্রাম্পের। এর আগের মেয়াদে ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন তিনি ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে এসেছিলেন। ইরানের উপর চাপ তৈরি করতে দেশটির বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন তিনি। বস্তুত, বারাক ওবামার সময় পরমাণু চুক্তি হয়েছিল। যেখানে ইরান অন্যতম সদস্য ছিল। ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বাইডেনের আমলেও তার বিশেষ উন্নতি হয়নি।

অপরদিকে, ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সম্পর্ক খুবই ভালো। নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে ইরানে আক্রমণ চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। কারণ, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ইরান সরাসরি ইসরায়েলে মিসাইল ছুঁড়েছে। ট্রাম্পের প্রশাসন এই বিষয়টিকে কীভাবে সামলান, সেটা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসাবে ইলন মাস্ক ও বিবেক রামাস্বামীকে ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভমেন্ট ইফিশিয়েন্সি’ নামে নতুন এক বিভাগের দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘একসঙ্গে, এই দুই চমৎকার আমেরিকান আমার প্রশাসনের জন্য সরকারি আমলাতন্ত্রকে আরও কার্যকর করে তুলবেন।

Chokroanimation

Scroll to Top