এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান শরীফ জহির। তিনি বলেছেন, টোটাল ব্যান্ডিংয়ের গাইড লাইন দেয়া হয়েছে। আগের দুর্নীতির অনুসন্ধানে আমরা অডিট শুরু করেছি। আমরা রিটেইল এবং এসএমইতে নাম্বার এক হতে চাই। আমরা শুধু নির্দেশনা দিব। আশা করি আমাদের ম্যানেজমেন্ট ব্যাংকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরী। এর আগে গত ২৭ আগস্ট ইউসিবির পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন চেয়ারম্যান করা হয় ব্যাংকটির উদ্যোক্তা প্রতিনিধি শরীফ জহীরকে। পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান শেয়ারধারী মো. তানভীর খান। স্বতন্ত্র পরিচালক করা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মো. ইউসুফ আলী ও হিসাববিদ ওবায়দুর রহমানকে।
তিনি বলেন, গত ৫ বছরে যে ক্ষতি হয়েছে তা আর হবে না। আমরা আরএমজিতে এক নাম্বারে আছি। আগের বোর্ডের মেম্বাররা জোরপূর্বক ম্যানেজারদের দিয়ে অনেক কিছু করিয়েছি। এখন গাইডলাইন অনুযায়ী চললে আমরা অনেক এগিয়ে যাব।
নতুন বোর্ডের কাজ নিয়ে তিনি বলেন, নতুন বোর্ডের কাজ ম্যানেজমেন্টকে ইমপাওয়ার করা। আমরা শুধু দেখব, কাজগুলো ঠিকভাবে হচ্ছে কী না। আমরা দেখতেই পারবেন পরিবর্তনগুলো। অনেকেই আমাদের এখানে আসতে চায়। আমরা রিটেইল এবং এসএমইতে নাম্বার এক হতে চাই। আমরা শুধু নির্দেশনা দিব। আশা করি আমাদের ম্যানেজমেন্ট ব্যাংকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

পাচার হওয়া টাকা নিয়ে তিনি বলেন, সম্ভবত টাকা বেশিরভাগই পাচার হয়েছে হুন্ডির মাধ্যমে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও কিছু পরিবর্তন দরকার। সফলতার ক্রেডিট তার মাকে দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ভাইবোনদের সফলতার কারণ মা। আমি বাইরে থেকে পড়াশুনা শেষ করে দেশে এসেই ব্যবসায় নামি। আমরা প্রতিদিন ১৩-১৪ ঘণ্টা করেও কাজ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা গার্মেন্টসকেও অর্গানাইজেশন হিসেবে তৈরি করেছ। নিজের অনন্ত গ্রুপ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা গার্মেন্টসের পরিশি বাড়াবো। আমরা ব্যাংকে সময় দিচ্ছি। রিয়েল স্টেটেও কাজ করতে চাই। প্রতিটা সেক্টরে আমাদের অর্গানিক গ্রোথ হবে।



