ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বাগ্বিতণ্ডার এক ফাঁকে হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আমার মহাসচিবের সাথে এই বিষয়ে কথা বলে তারপরে গাড়িতে উঠেছি। আপনি রাতের বেলায় অফিসে কিছু কিছু ক্লাইন্টকে নিয়ে এসে…।’ কথা শেষ হতেই ইউএনও বলেন, ‘রাতের বেলায় আমি অফিস করব, সেটা তো একান্ত আমার বিষয়। আমাদের অফিস চব্বিশ বাই সেভেন।’
জামাল বলেন, ‘আপনি নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্য শুরু করেছেন।’ এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি অফিস রাতে বা দিনে করেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই। এর আগের ইউএনও বিকাশ চন্দ্র বর্মন ছিল ওনাকে আমরা সেভ করেছি এখানে।’ সে সময় ইউএনও বলেন, ‘এই মব কালচার করে তখনো কিন্তু এ রকম করা হয়েছিল।’ জামাল বলেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্টদের নিয়োগ দেবেন, এটা মানা হবে না।’ ইউএনও বলেন, ‘অধ্যক্ষ যদি অবৈধ হয় বোর্ডকে বলেন, নিয়োগ বাতিল করে দিতে, আমাদের অসুবিধা কোথায়?’ সে সময় জামাল বলেন, ‘আমরা এই কথাটি বারবার বলছি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্টদের আপনি নিয়োগ দিবেন, আমরা কি ললিপপ চুষবো? এটা তো হবে না।’



