আফগানিস্তান–পাকিস্তান : সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কে?

আফগানিস্তান–পাকিস্তান : সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কে?

সামরিক সক্ষমতায় পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় পার্থক্য পারমাণবিক অস্ত্র। পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হলেও আফগানিস্তান এক্ষেত্রে পিছিয়ে। এ ছাড়া সেনাসংখ্যা, যুদ্ধবিমান ও কামান—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ইসলামাবাদের তুলনায় পিছিয়ে কাবুল। লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) বরাতে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

আফগানিস্তান–পাকিস্তান : সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কে?

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির পর নতুন করে সংঘাতে জড়িয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। এতে আবারও আলোচনায় দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা ইস্যু।

সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে পাকিস্তানের তুলনায় বেশ পিছিয়ে আফগানিস্তান। সবচেয়ে বড় কথা, পাকিস্তান একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তাদের কাছে ১৭০টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে। আফগানিস্তানের তা নেই।

সশস্ত্র বাহিনীর আকারের ক্ষেত্রেও ইসলামাবাদের চেয়ে পিছিয়ে কাবুল। পাকিস্তানের মোট ৬ লাখ ৬০ হাজার সক্রিয় সেনাসদস্য রয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৬০ হাজার সেনাবাহিনীতে, ৭০ হাজার বিমানবাহিনীতে এবং ৩০ হাজার সদস্য নৌবাহিনীতে কর্মরত। আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীতে তালেবানের সক্রিয় সেনার সংখ্যা কেবল ১ লাখ ৭২ হাজার।

পাকিস্তানের ৬ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যুদ্ধযান এবং ৪ হাজার ৬০০-র বেশি কামান রয়েছে। বিপরীতে আফগানিস্তানের কিছুসংখ্যক যুদ্ধযান থাকলেও সেগুলো মূলত সোভিয়েত আমলের। তাদের কামান বা গোলন্দাজ বাহিনীর সঠিক সংখ্যা অজানা।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

এদিকে ইসলামাবাদের ৪৬৫টি যুদ্ধবিমান এবং ২৬০টির বেশি হেলিকপ্টার রয়েছে। এগুলোর মধ্যে হামলাকারী ও মালবাহী—দুই ধরনের হেলিকপ্টারই আছে। অন্যদিকে কাবুলের নিজস্ব কোনো শক্তিশালী বিমানবাহিনী বা যুদ্ধবিমান নেই। ৬টি বিমান ও ২৩টি হেলিকপ্টার থাকলেও সেগুলো মূলত সোভিয়েত আমলের পুরোনো আকাশযান।

Scroll to Top