ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত জানান, ইইউ যে কাজ বাংলাদেশে করে, তার একটি অংশ উন্নয়ন সহযোগিতা। এক বছর আগে দুই পক্ষের প্রথম রাজনৈতিক সংলাপ হয়েছিল এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিও ছিল। নিজেদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়েও আলোচনা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা শুধু আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, বিশ্বের বিস্তৃত পরিবেশে কী ঘটছে, তা নিয়েও এবং কীভাবে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিন্ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোতে প্রভাব রাখতে পারে, সেসব বিষয় গুরুত্ব পাবে। তাতে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন সংঘাতও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’
খুব শিগগির ‘অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি’ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু হবে বলে জানান চার্লস হোয়াইটলি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন হয়েছে এবং আমরা আমাদের বিবৃতি দিয়েছি।’


