
রোববার রাতে স্পেনের রাজধানীতে গড়িয়েছে মৌসুমের প্রথম মাদ্রিদ ডার্বি। লা লিগায় মুখোমুখি হয়ে রিয়াল মাদ্রিদ এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লড়েছে। ম্যাচে একটি লাল কার্ড দেখে ১০ জনে পরিণত হওয়া রিয়াল ২-১ গোলে হেরেছে। পরে লস ব্লাঙ্কোসদের কোচ হোসে মরিনহো দাবি করেছেন, প্রতিপক্ষকে লাল কার্ড দেখানোর উচিত ছিল। কখন কোথায় সেটিও প্রিন্ট আউট করে এনে দেখিয়েছেন তিনি।
এটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের চলতি মৌসুমে দ্বিতীয় হার। এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে তারা রিয়াল বেটিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল। রিয়াল কোচ মরিনহো ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে একটি এ-ফোর আকারের ছাপানো কাগজ হাতে নিয়ে এসেছিলেন। যেখানে দুটি ঘটনার স্ক্রিনশট ছিল, যেগুলোর জন্য তার মতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ খেলোয়াড়দের লাল কার্ড দেয়ার উচিত ছিল।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের পর মরিনহো রেফারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর ভুলের অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তার দাবি, প্রথমার্ধেই স্বাগতিকদের দুটি লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। ছাপানো ছবিগুলো সংবাদমাধ্যমে দেখাতে দেখাতে মরিনহো বলেন, ‘আমরা সংবাদ সম্মেলন বাদ দিতে পারি। কারণ ম্যাচের মূল ঘটনা এখানেই ঘটেছে।’
‘এগুলো দুটো স্পষ্ট লাল কার্ড ছিল। এরপর ১১ জনের বিপক্ষে ১০ জন খেলতে গিয়ে আমরা যে অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছিলাম, এর থেকে কেবল কল্পনাই করা যায় যে ৫০ মিনিট ধরে ১১ জনের বিপক্ষে ৯ জন খেললে পরিস্থিতি কেমন হতো। তাই আমার খেলোয়াড়দের জড়িয়ে ধরেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। যারা নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে খেলেছে এবং প্রথমার্ধে অসাধারণ নৈপুণ্য ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের জন্য নিখুঁতভাবে সর্বস্ব দিয়ে গেছে।’
অন্যদিকে ডিয়েগো সিমিওনে ফলাফলে অত্যন্ত আনন্দিত ছিলেন। মরিনহোর রেফারিদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে আর্জেন্টাইন কোচ বলেছেন, ‘তিনি তো সবসময়ই অন্যদের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি বুঝি যে কোচ হিসেবে আমরা একটি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকি। আমাদের উপর জনসাধারণের ব্যাপক নজরদারি থাকে। আর সেটা মরিনহো, ফ্লিক, পেল্লেগ্রিনি, আমি বা অন্য যে-ই হই না কেন, আমরা কী বলছি সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
‘আমাদের অন্যদের, রেফারিদের, সহকর্মীদের সম্মান করতে হবে। এতে কিন্তু আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হই। আর যখন কেউ সম্মানের সেই সীমা লঙ্ঘন করে, তখন তা ঠিক নয়। এই সীমা লঙ্ঘন করা যায় না।’
এদিন অ্যাটলেটিকোর মাঠে ৫২ মিনিটে ডি বক্সে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিন হুইসেন। সেখান থেকে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা, ৫৩ মিনিটে গোল করেন আলেজান্দ্রো গ্রিমালদো। ৫৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান বাড়ান জোনাথন ডেভিড। ৮৯ মিনিটে রিয়ালের ব্যবধান কমান আন্তোনিও রুডিগার।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…